নোটিশ :
সারা দেশে সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে "দৈনিক ভোরের হাওয়া" দ্রুত বর্ধনশীল অনলাইন সংবাদমাধ্যম Daily Bhorer Haoa সারা দেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রতিনিধি (সাংবাদিক) নিয়োগ দিচ্ছে। যারা সাংবাদিকতায় আগ্রহী, সংবাদ সংগ্রহ ও লেখালেখিতে দক্ষ এবং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে চান—তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ।
সংবাদ শিরোনাম:
চামড়া খাতের বিপর্যয় ও উত্তরণের পথ কোরবানির ঈদের অনবদ্য কারিগর: এক দিনের কসাইদের আকাশছোঁয়া কদর কুরবানীর অর্থনীতিতে চাঙ্গা গ্রামবাংলা এক লাখ কোটি টাকার প্রবাহে নতুন গতি পেল দেশের স্থানীয় বাজার ​ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ঈদুল আজহা ​— আরবের ঐতিহ্য, পাশ্চাত্য বাস্তবতা ও বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট ​ঈদ-উল-আযহার আলোয় মোহাম্মদপুর-আদাবরে অনাগত দিনের নতুন প্রতিশ্রুতি: শারিয়া মোস্তাফিজ সিমির ঈদ বার্তা! ডিএনসিসির পশুর হাটের ইজারা: নিয়ন্ত্রণে বিএনপি নেতাদের একচেটিয়া আধিপত্য ​ত্যাগের মহিমায় দেশবাসীর পাশে: ইশতিয়াক আহমেদের ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ​ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মনোয়ার হাসান জীবন ভালুকাবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় ঈদ শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হাতেম খান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালো মোহাম্মদপুর প্রেসক্লাব
দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে পলিথিন গলিয়ে দানা উৎপাদনকারী কারখানা উচ্ছেদের দাবি

দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে পলিথিন গলিয়ে দানা উৎপাদনকারী কারখানা উচ্ছেদের দাবি

এমডি রবিউল ইসলাম,ঢাকা:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নিয়মবহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা একটি পলিথিন রিসাইক্লিং কারখানার কারণে জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়েছে। পলিথিন গলিয়ে প্লাস্টিক দানা (গ্র্যানুল) তৈরির প্রক্রিয়ায় নির্গত বিষাক্ত ও উৎকট দুর্গন্ধে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে, যার ফলে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
​সরেজমিনে তদন্তে দেখা গেছে, কারখানাটির চারপাশেই রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা, বিপণিবিতান এবং খাবারের হোটেল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কারখানা থেকে নির্গত তীব্র পচা গন্ধে আশপাশের হোটেলে বসে খাবার খাওয়ার পরিবেশ নেই। এর ফলে হোটেল মালিকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক চলাচলও এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

“কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া আর গন্ধে আমাদের শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ক্রেতারা দোকানে আসতে চায় না। আমরা এখানে কাজ করতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ছি। এটি কোনোভাবেই আবাসিক এলাকায় চলতে পারে না।”

​অনুসন্ধানে জানা যায়, এই কারখানার মালিক বিল্লাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি প্রথমে কারখানাটিকে ‘সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম’ বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেন। তবে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি স্বীকার করেন এটি তার ব্যক্তিগত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। একপর্যায়ে তিনি ক্যামেরার সামনে কোনো প্রকার মন্তব্য করতে রাজি না হয়ে সটকে পড়েন।

​স্থানীয়দের দাবি, একটি জনবহুল এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া এমন কারখানা কীভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকশ শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এলাকাবাসী তিনটি দাবি জানিয়েছেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অবিলম্বে এই বিষাক্ত কারখানাটি লোকালয় থেকে সরিয়ে নিতে হবে।

প্লাস্টিক রিসাইক্লিংয়ের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ আবাসিক এলাকার বাইরে নির্ধারিত শিল্পাঞ্চলে স্থানান্তর নিশ্চিত করা।সিটি কর্পোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ কারখানা বন্ধ করা।

​এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত এবং কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক ভোরের হাওয়া © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com